চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে।
বিষয়টি বুধবার (২৭ আগস্ট) নিশ্চিত করেছেন বাঁশখালী থানার ওসি সাইফুল ইসলাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে দু’পক্ষের প্রথম সংঘর্ষে ছাত্রশিবির ও জামায়াতের তিনজন নেতাকর্মী আহত হন। পরে রাতে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা ঘটনাটি মীমাংসার জন্য স্থানীয় মোশাররফ আলী হাটে বৈঠকে বসেন। সেখানে আবারও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়, যা রাত ১১টা পর্যন্ত চলে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক নয়নমণি, স্থানীয় ছাত্রদল কর্মী মো. তায়েব, এনামুল হক ও তানভীর হাসান, ছাত্রশিবিরের বাঁশখালী উত্তর শাখার সেক্রেটারি আজগর হোসাইন এবং জামায়াত কর্মী মো. রাকিব।
বাহারছড়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাসান আজাদ বলেন, “মাদরাসা ছুটির পর বিকেলে পাশের মসজিদে পবিত্র কোরআন ক্লাসের আয়োজন করেছিল শিবির। সেখানে ছাত্রদল হামলা চালিয়ে রাকিব নামের আমাদের একজন কর্মীকে আহত করেছে। রাতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গেলে সেখানেও আমাদের ওপর হামলা হয়। এতে আরও ৭ থেকে ৮ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।”
অন্যদিকে বাঁশখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক লোকমান আহমদ বলেন, “আমি জেনেছি, শিবিরের বৈঠকে বিএনপি নেতা তারেক রহমানকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। জামায়াত-শিবিরের হামলায় আমাদের ৪ থেকে ৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।”
এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি।”


