ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পৌর শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও জাসাস নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. হারুনুর রশিদ ভূইয়া।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা মডেল মসজিদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
হারুনুর রশিদ দাবি করেন, ২০২৫ সালে তিনি আখাউড়া রাধানগর মৌজার বড় বাজার এলাকায় ৬২ শতক জায়গা ক্রয় করেন। জায়গাটি তার নামে খারিজ খতিয়ানভুক্ত হয়েছে। সম্প্রতি সেখানে দোকান নির্মাণ কাজ শুরু করলে শ্রমিক দল আহ্বায়ক মো. উসমান খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. মিঠু ভূইয়া ও জাসাস আহ্বায়ক আব্দুল মালেক চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তারা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও মানহানিকর প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, “যেকোনো সময় তারা আমার ওপর হামলা চালাতে পারে।”
তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক উসমান খান বলেন, “ওই জায়গাটি আসলে একটি প্রাইমারি স্কুলের জন্য বরাদ্দ ছিল। সাইনবোর্ডও ছিল। আমরা চাই সেখানে স্কুল হোক। চাঁদা দাবির প্রশ্নই ওঠে না।”
উপজেলা জাসাস আহ্বায়ক আব্দুল মালেক জানান, “স্কুলের জন্য বরাদ্দকৃত জায়গার সাইনবোর্ড সরিয়ে বিএনপি-আওয়ামী লীগের কিছু লোক স্থাপনা নির্মাণ করছে। এরই প্রতিবাদে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। আমি প্রতিবাদ করায় আমার বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।”
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মিঠু ভূইয়া বলেন, “২০১৫ সালে স্কুলের নামে সরকারি জায়গাটি ভরাট করা হলেও আজও স্কুল হয়নি। আওয়ামী লীগের দোসররা বিএনপির কিছু লোকের সঙ্গে মিলে ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে জায়গাটি দখলে নিয়েছে। চাঁদা দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”


