28 C
Dhaka
Saturday, June 13, 2026

চুরির অভিযোগে যুবলীগ নেতাকে হাত-পা বেঁধে মারধর

advertisment
- Advertisement -spot_img

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় চুরির অভিযোগে ইছা মিয়া (৩৫) নামে এক যুবলীগ নেতাকে হাত-পা বেঁধে মারধর করেছে গ্রামবাসী। তিনি উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের সাধেরখলা গ্রামের সায়েদ আলীর ছেলে এবং ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

সম্প্রতি এই ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ মে (শনিবার) রাতে সাধেরখলা হাজী এম এ জাহের উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রহিম মিয়ার দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে চোর সন্দেহে গ্রামবাসী ইছা মিয়াকে ধরে এনে দোকান ঘরের খুঁটিতে বেঁধে মারধর করে। এ সময় সে চুরির কথা স্বীকার করে এবং তার কাছ থেকে কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও সে আরও কয়েকটি বাড়ি ও মসজিদে চুরির কথা স্বীকার করেছে বলে জানা যায়।

পরবর্তীতে গ্রামবাসী তার স্বজনদের খবর দিলে কেউ সাড়া দেয়নি। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য রোপণ মিয়া ও কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি এসে মুসলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেন।

পার্শ্ববর্তী আমতইল গ্রামের বাসিন্দা নুর আলম ফেসবুকে লিখেছেন, “ইছা মিয়া একজন ভয়ঙ্কর চোর। সে এমন কোনো মসজিদ নেই যেখানে চুরি করেনি। আমার বাড়িতেও টাকা ও অলঙ্কার চুরি করেছে। তার ভয়ে আশেপাশের ৮-১০ গ্রামের মানুষ রাতে ঘুমাতে পারে না।”

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য রোপণ মিয়া বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ইছা মিয়ার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ শুনেছি। এবারের ঘটনায় সে স্বীকার করেছে এবং কিছু মালামাল ফিরিয়ে দিয়েছে। তাই মুসলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”

তাহিরপুর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন, “এ পর্যন্ত কেউ থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি। কাউকে চোর সন্দেহে ধরে এনে শাস্তি দেওয়া বেআইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ