28.4 C
Dhaka
Thursday, June 18, 2026

রুপাইয়ার অভিযোগকে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্টের ষড়যন্ত্র বলছে শিবির

advertisment
- Advertisement -spot_img

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে টিএসসি কেন্দ্রের ক্যাফেটেরিয়া কক্ষে ব্যালটে আগেই ক্রস চিহ্ন থাকার অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যের ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক পদপ্রার্থী রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গ্যা। তার দাবি, তার এক বান্ধবী ওই ব্যালটটি পেয়েছেন। তবে শিবির সমর্থিত প্যানেলের মতে, এটি নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে সাজানো একটি ষড়যন্ত্র।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাংবাদিকদের রুপাইয়া বলেন, তিনি ও তার এক বান্ধবী একসঙ্গে ভোট দিতে যান। ভোটকেন্দ্রের এক নম্বর টেবিলে বান্ধবীকে যে ব্যালট দেওয়া হয়, তাতে আগে থেকেই শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম এবং সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এস এম ফরহাদের নামের পাশে ক্রস চিহ্ন দেওয়া ছিল। তিনি বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পোলিং কর্মকর্তাদের জানান। তবে কর্মকর্তারা বলেন, এটি শিক্ষার্থীর ভুলও হতে পারে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত পোলিং কর্মকর্তা রুমানা পারভীন এ্যানী জানান, “ওই শিক্ষার্থী ব্যালট নিয়ে বুথে ঢুকে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বের হয়ে অভিযোগ করে। আমরা পরে সব ব্যালট পরীক্ষা করেছি, কিন্তু কোথাও কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাকে নতুন ব্যালট দেওয়া হয়েছে। এটি শিক্ষার্থীর ভুলও হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, সকালে ব্যালট বাক্স খোলা ও সিলগালা করার সময় বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্ট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সবার সামনে ব্যালট বিতরণ হওয়ায় অনিয়ম হওয়ার সুযোগ নেই।

অভিযোগ প্রসঙ্গে শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম বলেন, “এটি একটি ষড়যন্ত্র। এক পক্ষ নির্বাচনি প্রক্রিয়া বানচালের চেষ্টা করছে। একুশে হলে ছাত্রদলের পক্ষে ক্রস চিহ্ন দেওয়া ব্যালট পাওয়ার খবর এসেছে, এখন টিএসসিতেও একই অভিযোগ উঠছে। আমরা চাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

টিএসসি কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা সাংবাদিকদের বলেন, “অভিযোগটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রতিটি বুথ সিসিটিভির আওতায় রয়েছে। শিক্ষার্থী বুথে প্রবেশ করার পর অভিযোগ করেছে, তাই ফুটেজ পরীক্ষা করে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে ব্যালট হাতে নিয়েই অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব হতো। বুথে প্রবেশের পর এসে অভিযোগ করার সুযোগ নেই। তারপরও তাকে নতুন ব্যালট দেওয়া হয়েছে। ভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এমন অভিযোগ আনা হতে পারে।”

এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি কেন্দ্রের ভেতরে গিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। কর্মকর্তারা তাকে আশ্বস্ত করেন, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ