বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গত আসর ঘিরে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বেশ কয়েকটি দলের বিরুদ্ধে খেলোয়াড়দের বকেয়া পরিশোধ না করা থেকে শুরু করে হোটেল বিল বাকি রাখার মতো অভিযোগ উঠেছিল। এসব অভিজ্ঞতার পর টুর্নামেন্টের ১২তম আসর নিয়ে আরও সতর্ক অবস্থানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
নতুন আসরে অংশ নিতে ইচ্ছুক ফ্র্যাঞ্চাইজিদের জন্য আবেদনের শেষ সময় ছিল ২৮ অক্টোবর। এবার যে প্রতিষ্ঠানগুলো দল পাবে, তাদের পরপর পাঁচ আসর অংশগ্রহণ করতে হবে। সেই সঙ্গে পাঁচ বছরে মোট সাড়ে ১৩ কোটি টাকা ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি এবং প্রতি আসরের আগে ছয় মাসের জন্য ১০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে। এছাড়া ফ্র্যাঞ্চাইজিরা তাদের আয়ের ৩০ শতাংশ বিসিবিকে দিতে বাধ্য থাকবে।
এই শর্ত মেনে মোট ১১টি প্রতিষ্ঠান দল নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। রাজশাহীর ফ্র্যাঞ্চাইজি নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠান। তবে পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আরও কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই করছে বোর্ড।
রবিবার বিসিবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভা শেষে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য ইফতেখার রহমান মিঠু জানান, প্রাথমিকভাবে ১১টির মধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠানকে শর্টলিস্ট করা হয়েছে। তিনটি কোম্পানি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে না পারায় বাদ পড়েছে।
শর্টলিস্ট থেকে বাদ পড়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মাইন্ড ট্রি, বাংলামার্ক ও এসকিউ। মাইন্ড ট্রি খুলনা, বাংলামার্ক নোয়াখালী এবং এসকিউ চিটাগং কিংস ফ্র্যাঞ্চাইজি নেওয়ার আবেদন করেছিল। অর্থাৎ নোয়াখালী এবারও বিপিএলে দল পাচ্ছে না।
তবে শর্টলিস্টে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে কারা চূড়ান্তভাবে দল পাবে, সেটি এখনও নির্ধারণ হয়নি। আগামী বোর্ড সভার পর বিষয়টি চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।


