বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষের পক্ষে হোক। তরুণরা এতদিন ভোট দিতে পারেননি, এবার তারা ভোট দেবে। ধানের শীষ যখনই দাঁড়ায় তখনই জিতে। ২০০১ ও ২০০৮ সালে আপনারা আমাকে ধানের শীষেই ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন। এ এলাকার ঘরে ঘরে ধান, ঘরে ঘরে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান—যার কারণে যখনই ভোট আসে তখনই ধানের শীষ জিতে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডের করইতলা এলাকায় বিএনপি–যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল–ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত ‘ধানের শীষের পক্ষে তারুণ্যের সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া মাত্র ৩৬ বছর বয়সে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। তিনি একজন সৈনিক ছিলেন, মেজর ছিলেন। পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যখন যুদ্ধ হয়, সেই যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি রণাঙ্গণে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। তাঁর ডাকেই তরুণ সমাজ যুদ্ধে নেমে পড়েছিল। তাঁকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়।
তিনি আরও বলেন, যারা আল্লাহর ওপর সন্তুষ্টি, আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও ভালোবাসা না রেখে নিজেদের দলকে ইসলাম ব্যবহারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে চান, তারা আসল ইসলাম ধারণ করছেন না। মদিনার ইসলামই আসল ইসলাম। মওদুদীর ইসলাম আসল নয়, সেটি পাকিস্তানের ইসলাম। মওদুদীর ছেলে নিজেও তাঁর বাবার মতাদর্শের বিরোধিতা করেছেন। যারা মওদুদীবাদ বা মওদুদীর ইসলাম তুলে ধরে ঘরে ঘরে গিয়ে জামায়াত বেহেশতের সার্টিফিকেট দিতে চায়, জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেয়—এটা শিরক, এটা হয় না। একটি রাজনৈতিক দল কখনো জান্নাতের টিকিট দিতে পারে না। কারও জান্নাত নির্ভর করবে তার ইমান, আকিদা, কর্ম এবং ইহকালে সে কী করেছে তার ওপর।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সদস্য নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, আবুল হাশেম, মাহবুবুর রহমান লিটন; লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন; বিএনপি নেতা লোকমান হোসেন; জেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল আলিম হুমায়ুন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রশিদুল হাসান লিংকন; জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ; লক্ষ্মীপুর পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদ ও সদস্য সচিব মনসুর আহমেদ; জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


