বিএনপির সহ–আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, রাজনৈতিক দলকে কাগজে-কলমে নিষিদ্ধ করে কোনো কার্যকর সমাধান সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এটি শুধু তাত্ত্বিকভাবে দলকে রোধ করতে পারে, বাস্তবে মানুষ যদি তাদের সমর্থন দেয়, তাহলে কোনো আইন বা নিষেধাজ্ঞা তা থামাতে পারবে না।
সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “জামায়াতকে শেখ হাসিনা শেষ মুহূর্তে নিষিদ্ধ করেছিলেন। এর আগে তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছিল। সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হলেও দলটি এখনও সক্রিয়। নিষিদ্ধ করে সমাধান হয় না।”
তিনি মুসলিম লীগের উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, “এই দলটি এখনও রাজনীতিতে সক্রিয়, আর তাদের সমর্থক ও ভোটার সংখ্যা গণনা করা প্রায় অসম্ভব।”
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, নতুন একটি জোটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কিছু মানুষ রাজনীতিতে আসতে পারেন, যারা পূর্বে বড় পদে ছিলেন না বা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে সরাসরি অংশগ্রহণ করেননি। তবে তাদের ‘সফট কর্নার’ অবস্থানের কারণে এই সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে বানচাল করার পরিকল্পনা আছে। পাশাপাশি তিনি ১৮–৩৫ বছর বয়সী তরুণদের ওপর করা একটি জরিপের ফল উল্লেখ করেন। জরিপে দেখা গেছে, ২০ শতাংশ তরুণ বিএনপিকে, ১৭ শতাংশ জামায়াতকে এবং ৯–১০ শতাংশ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন, তবে সবচেয়ে বড় অংশ অনিশ্চিত। রুমিন ফারহানা বলেন, “যতই আইন করে দল নিষিদ্ধ করা হোক, মানুষ যদি ভোট দেয়, নির্বাচনকে কেউ থামাতে পারবে না।”


