ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫২৭ জন প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে সৌদি আরব রয়েছে শীর্ষে—সেখানে থেকে নিবন্ধন করেছেন ৩৮ হাজার ৩৭৪ জন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিবন্ধন করেছেন ১৯ হাজার ২২৭ জন।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টাল ভোটিং আপডেটে এই তথ্য পাওয়া যায়।
নিবন্ধনের সামগ্রিক পরিসংখ্যান
প্রবাসীদের মধ্যে নিবন্ধনকারী—
- পুরুষ: ১,৭৫,৫৭৩ জন
- নারী: ১৮,৯৬৮ জন
এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ১,৯৪,৫২৭ জন প্রবাসী ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
ঠিকানা সঠিকভাবে দিতে ইসির অনুরোধ
নিবন্ধনের সময় সঠিক ঠিকানা প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ইসির পাঠানো বার্তায় বলা হয়:
“অ্যাপে নিবন্ধনের সময় অবস্থানরত দেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ঠিকানা প্রদান করুন। প্রয়োজনে কর্মস্থল বা পরিচিতজনের ঠিকানাও ব্যবহার করতে পারেন।”
এছাড়া সতর্ক করে বলা হয়েছে—
৬ ডিসেম্বরের মধ্যে ভুল ঠিকানা সংশোধনের জন্য অ্যাপের ‘এডিট মেন্যু’ ব্যবহার করতে হবে। ঠিকানা সঠিক না হলে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো সম্ভব হবে না।
নিবন্ধনের সময় বাড়ল
ওসিভি-এসডিআই প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমদ খান জানিয়েছেন, প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়িয়ে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।
এর আগে সময়সীমা ছিল ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন,
“বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকেই ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধন করা যাবে।”
দেশের মধ্যেও শুরু হচ্ছে ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিং
সচিব আরও জানান—
সরকারি কর্মকর্তা, আইনি হেফাজতে থাকা ভোটার এবং নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে অবস্থানরত সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিং (আইসিপিভি) চালু করা হবে।
তফসিল ঘোষণার পর ১৫ দিনের জন্য এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু থাকবে।
অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম
- ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে হবে
- প্রবাসী ভোটারকে অবশ্যই ওই দেশের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে
- ব্যালট পাওয়ার জন্য সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা দেওয়া বাধ্যতামূলক
গত ১৮ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাপটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন এবং ১৪৮টি দেশে নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করেন।


