28.5 C
Dhaka
Wednesday, June 10, 2026

বেশিরভাগ থাইরয়েড ক্যান্সার চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ভালো হয়

advertisment
- Advertisement -spot_img

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, থাইরয়েড ক্যান্সারের ধরন ও আচরণ বুঝে চিকিৎসা দেওয়া গেলে অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার এড়ানো সম্ভব হয়। এতে রোগীর ঝুঁকি কমার পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যয়ও হ্রাস পায়।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিএমইউর এ ব্লক অডিটোরিয়ামে ‘থাইরয়েড নোডুল ও ক্যান্সার: হালনাগাদ ও ভবিষ্যৎ ভাবনা’ শীর্ষক ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাল সেমিনারে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএমইউর অটোল্যারিংগোলজি ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের শিক্ষক এবং হেড-নেক সার্জারি ডিভিশনের প্রধান অধ্যাপক ডা. কে এম এম আব্দুস সাত্তার।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী গত তিন দশকে থাইরয়েড ক্যান্সারের প্রকোপ বেড়েছে। বাংলাদেশেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে আশাব্যঞ্জক দিক হলো—বেশিরভাগ থাইরয়েড ক্যান্সার চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়। খুব অল্প সংখ্যক রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসার ফল আশানুরূপ হয় না।

গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে কেবল আক্রান্ত অংশের অস্ত্রোপচার করলেই রোগী দীর্ঘদিন সুস্থ থাকেন। তিনি আরও বলেন, কিছু থাইরয়েড ক্যান্সার দীর্ঘ সময় স্থিতাবস্থায় থাকে এবং তাৎক্ষণিক কোনো ঝুঁকি তৈরি করে না। তাই সব রোগীর ক্ষেত্রে একই ধরনের চিকিৎসা না দিয়ে রোগের ঝুঁকি ও আচরণ বিবেচনায় চিকিৎসা পরিকল্পনা করা জরুরি।

এতে রোগীর শারীরিক ঝুঁকি কমে এবং চিকিৎসা ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে বলে জানান তিনি।

অধ্যাপক ডা. আব্দুস সাত্তার বলেন, তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রমণাত্মক থাইরয়েড ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও বর্তমানে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার থাইরয়েড ক্যান্সার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ বিষয়ে গবেষণা জোরদারের আহ্বান জানান।

আরও উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ। সেন্ট্রাল সেমিনার সাব-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আফজালুন নেসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সাব-কমিটির সদস্য সচিব ডা. খালেদ মাহবুব মুর্শেদ মামুন।

এ ছাড়া জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের পরিচালক ও থাইরয়েড ডিভিশনের প্রধান অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল বারী থাইরয়েড নোডুল শনাক্তকরণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে একটি পৃথক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ