31.5 C
Dhaka
Friday, June 12, 2026

ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে হটিয়ে নতুন বই ছাপছে দেশীয় মুদ্রনখানা

advertisment
- Advertisement -spot_img

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমের ওপর ভিত্তি করে নতুনভাবে পরিমার্জিত পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুত করছে। এই কাজের মধ্যে কিছু অংশ ভারতের প্রতিষ্ঠানগুলোকেও দেওয়া হয়েছিল। তবে সমালোচনার কারণে তাদের বাদ দিয়ে দেশীয় মুদ্রণ সংস্থাগুলোকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকালে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম রিয়াজুল হাসান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ১৮টি স্লটে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান কাজ করছিল, কিন্তু সেগুলো বাতিল করে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজ দেওয়া হয়েছে। পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এই দায়িত্ব পেয়েছে।

তিনি আরও জানান, এনসিটিবি এখন ২০১২ সালের শিক্ষাক্রম অনুযায়ী আগামী বছরের জন্য পাঠ্যবই পরিমার্জন করছে। এরই মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির বই ছাপানোর জন্য প্রেসে পাঠানো হয়েছে, এবং ধাপে ধাপে অন্যান্য শ্রেণির বইও পাঠানো হবে। আশা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত বই ছাপার কাজ শেষ করা যাবে।

তিনি আশ্বস্ত করেন, জানুয়ারি মাসেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন, পরিমার্জিত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চলছে। ছাপার কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, নতুন শিক্ষাক্রম বা জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা-২০২১ কার্যকর করার দায়িত্ব অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিতে কিছুটা বিরত রয়েছে। ২০২৬ সাল থেকে এটি কার্যকর হবে, তবে ২০২৫ সালে শিক্ষার্থীদের জন্য ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে পরিমার্জিত বই সরবরাহ করা হবে।

এনসিটিবি প্রতিবছর মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ৮৯ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য ২৩ কোটি বই ছাপে। যদিও এ বছর সেপ্টেম্বর মাসে বই সংশোধনের কাজ শুরু হওয়ায় জানুয়ারিতে বই পৌঁছানোর বিষয়ে কিছুটা শঙ্কা দেখা দিয়েছিল, এনসিটিবি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীরা বই হাতে পাবে।

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ