বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ এবং চাকরি খোঁজার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সনদ অনলাইনে সত্যায়ন করলে বছরে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
১২ নভেম্বর (মঙ্গলবার) ঢাকার ইউজিসি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত একটি কর্মশালায় বক্তারা এই তথ্য প্রকাশ করেন। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (কনস্যুলার ও কল্যাণ) ড. শাহ্ মোহাম্মদ তানভীর মনসুর।
কর্মশালায় জানানো হয়, মন্ত্রিসভায় এপোস্টিল কনভেনশন স্বাক্ষরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিদেশে শিক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রত্যাশীদের সনদ, দলিল, হলফনামা ও চুক্তি সত্যায়ন করতে আর ১২৭টি দেশে গিয়ে পুনরায় সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না।
এপোস্টিল পদ্ধতির মাধ্যমে দেশে প্রতি বছর দুই লাখ পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি সনদ অনলাইনে সত্যায়ন করা সম্ভব হবে। এতে শিক্ষার্থীদের সময় ও শ্রম সাশ্রয় হবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমে যাবে। এছাড়া, এই পদ্ধতি দেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করবে।
অনলাইনে সনদ সত্যায়ন করার জন্য ইউজিসি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের এটুআই যৌথভাবে ‘এপোস্টিলমাইগভ’ (apostille.mygov.bd) প্ল্যাটফর্ম চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে ৪৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং আইটি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
এপোস্টিল পদ্ধতিতে প্রতিদিন ১০ হাজারেরও বেশি সনদ অনলাইনে সত্যায়ন করা সম্ভব হবে, যা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের অংশ।


