27 C
Dhaka
Saturday, January 17, 2026

শান্তিশৃঙ্খলা ,জাতীয় ঐক্য পুনঃপ্রতিষ্ঠায় যুক্তরাজ্যের সমর্থন রয়েছে -ক্যাথরিন

advertisment
- Advertisement -spot_img

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্ট। ঢাকায় সফরকালে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য আশা করছে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার পরিকল্পনা তুলে ধরবেন, যা বাংলাদেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর ওয়েস্ট বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের জনগণকে পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকার শান্তি প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহি নিশ্চিত এবং জাতীয় ঐক্যের লক্ষ্যে কাজ করছে। এসব উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে যুক্তরাজ্য সরকারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ক্যাথরিন ওয়েস্ট বলেন, “সকল রাজনৈতিক দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি উন্নত গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গড়তে অন্তর্বর্তী সরকারের দৃঢ় সংকল্পকে যুক্তরাজ্য স্বাগত জানায়।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য আরও ১০ মিলিয়ন পাউন্ড সহায়তার ঘোষণা দিয়ে ব্রিটিশ মন্ত্রী জানান, শরণার্থীদের জন্য উপযুক্ত আশ্রয়, শিশুদের শিক্ষা, খাদ্য ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্য সবসময় বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনীতি, বাণিজ্য, নিরাপত্তা, অভিবাসন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে একযোগে কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়েস্ট। তিনি বলেন, “অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাজে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”

যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও অনন্য উল্লেখ করে ক্যাথরিন ওয়েস্ট বলেন, “কমনওয়েলথের অভিন্ন সম্পর্ক এবং জনগণের বন্ধুত্বের ভিত্তিতে এই অংশীদারত্ব আরও দৃঢ় হয়েছে।” সফরের অংশ হিসেবে তিনি রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, “ক্যাথরিন ওয়েস্টের এই সফর আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে।”

এই সফর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে উন্নত গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ