আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫ আয়োজনে অনিশ্চয়তা থাকলেও আনুষ্ঠানিকতা চালিয়ে যাচ্ছে আইসিসি। পাকিস্তানে এই আসর অনুষ্ঠিত হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। মূলত ভারতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে পাকিস্তানে খেলতে অনীহা দেখানোর পর থেকেই শুরু হয়েছে এই জটিলতা। তবে আইসিসি এখনো এই সংকটের কার্যকর কোনো সমাধান খুঁজে পায়নি।
মাঠের সংকট সত্ত্বেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রচারণা জোরেশোরে চালাচ্ছে আইসিসি। দুবাইভিত্তিক লজিস্টিক কোম্পানি ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’-এর ব্যবস্থাপনায় ট্রফির বিশ্বভ্রমণ চলছে। এর অংশ হিসেবে চার দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছে এই গৌরবময় ট্রফি।
বাংলাদেশে ট্রফি প্রথম প্রদর্শিত হবে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে। লাবণী পয়েন্টে আগামীকাল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ট্রফিটি দেখা যাবে। এরপর তা ঢাকায় নিয়ে আসা হবে।
১২ ডিসেম্বর ট্রফি রাখা হবে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে। সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ট্রফিটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এরপর ১৩ ডিসেম্বর এটি যাবে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। সেখানেও সকাল ১১টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত প্রদর্শনীর সুযোগ থাকবে।
এই প্রদর্শনীতে পুরুষ ও নারী ক্রিকেট দল, সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটার, ক্রিকেট সংগঠক, কর্মকর্তা এবং সংবাদমাধ্যমকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের সফর শেষে ১৫ থেকে ২২ ডিসেম্বর ট্রফি দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকবে। এরপর এটি ঘুরবে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড। আগামী ১৫ জানুয়ারি ট্রফি পৌঁছাবে ভারতে।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির এই ভ্রমণ শুরু হয়েছে আয়োজক দেশ পাকিস্তান থেকে। ১৬ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে ছিল ট্রফিটি। এরপর ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর এটি ছিল আফগানিস্তানে। বর্তমানে ট্রফি অবস্থান করছে বাংলাদেশে।
এদিকে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন এখনো অব্যাহত। এই সমস্যার সমাধানে আইসিসি এখনও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ফলে আসরটি পাকিস্তানে হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় কাটেনি।


