যথাযথ মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারাদেশে পালিত হয়েছে ৫৩তম মহান বিজয় দিবস। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন নগরী ও উপজেলার সরকারি, বেসরকারি, আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় সকাল সাড়ে ৭টায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিমা আক্তার জাহান। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সিরাজগঞ্জে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিজয় সৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। পরে সার্কিট হাউসের অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম এবং এতিমখানাগুলোতে উন্নত খাবারের আয়োজন করা হয়। এছাড়া মসজিদ, মন্দির ও গির্জায় জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় ৩১ বার তোপধ্বনি দিয়ে বিজয় দিবসের সূচনা হয়। সকাল ৮টায় অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়ানো হয়।
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে বিজয় দিবসের কর্মসূচি উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে ৩১ তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। পরে উপজেলা চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বিজয় মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলায় শিশুদের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন করা হয়। সেখানে দিনব্যাপী মেলায় স্থানীয় পণ্য প্রদর্শনী, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
মেহেরপুরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শহরের স্মৃতিসৌধে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শ্রদ্ধা জানায়।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং কোরআন পাঠসহ বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
বাগেরহাট শহরে দশানী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে বিজয় মেলা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।


