গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, জুলাই ঘোষণাপত্রে সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। দেশের রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছে, যা জনসমর্থনেরই প্রতিফলন।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে নগরীর সিটি বাজার এলাকায় জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নুর বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিজয়ী জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের কারণে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে জনগণ ভোগান্তিতে পড়েছে। সংস্কার কমিশন প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার। সরকারকে আহ্বান জানাই, আগামী বছরের জাতীয় নির্বাচন যদি জুন-জুলাইয়ে হয়, তবে মার্চ-এপ্রিলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিতে।”
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, সংক্ষিপ্ত সংস্কারের মাধ্যমে ডিসেম্বরেই নির্বাচন সম্ভব, তবে বিস্তৃত সংস্কার করতে ছয় মাসের বেশি সময় লাগবে। নুরের মতে, শুধুমাত্র ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল সংবিধান ও রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার। তাই সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে জাতির সামনে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা প্রকাশ করা জরুরি।
আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে নুর বলেন, “যারা জনগণের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, রাজপথে রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের আর রাজনীতি করার নৈতিক অধিকার নেই। জনগণ তাদের রাজনীতি থেকে বিদায় করে দিয়েছে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান, উচ্চতর পরিষদের সদস্য হানিফ খান সজীব এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কামাল হোসেন রিপনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


