27.2 C
Dhaka
Monday, June 15, 2026

কোনো ‘মহামানব’ তৈরির জন্য মানুষ জীবন দেয়নি, গণতন্ত্রের জন্য দিয়েছে: আমীর খসরু

advertisment
- Advertisement -spot_img

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অতীতে দেশে অনেক ‘মহামানব’ তৈরি করা হয়েছে, যার পরিণতি জনগণ দেখেছে। তবে বাংলাদেশে কেউ কোনো ব্যক্তিবিশেষের জন্য জীবন দেয়নি, বরং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত ঝরিয়েছে।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ১৬ বছরের যুদ্ধ’

আমীর খসরু বলেন, “কোনো মহামানব গণতন্ত্রের সমাধান দেবে, আর দেশের মানুষ চুপচাপ অপেক্ষা করবে—এটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই।”

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি দেখে এখনো মানুষ মনে করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই তাদের জন্য ভালো সমাধান। কেউ এখনই নির্বাচন দাবি করছে না।”

এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আমীর খসরু বলেন, “বিএনপি বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল, যারা জনগণকে প্রতিনিধিত্ব করে। আমাদের সঙ্গে থাকা প্রায় ৫০টি রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে স্পষ্টভাবে বলেছে, ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্রের বিপরীতে কাজ করেছে, তারা ‘জনগণ’ নয়। জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব যেসব দল করছে, তারা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে।”

‘ডিসেম্বরে নির্বাচন চাই, জনগণ রক্ত দিয়েছে গণতন্ত্রের জন্য’

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের কথা তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, “গত ১৬ বছর ধরে আমরা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য লড়াই করছি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই কেবল জবাবদিহিমূলক হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তার ব্যত্যয় ঘটবে না। তিনি জুনের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ঐকমত্যের কথা বলেছেন, তবে আমরা চাই, ডিসেম্বরে নির্বাচন হোক এবং জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করুক। জনগণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত দিয়েছে, কোনো মহামানব প্রতিষ্ঠার জন্য নয়।

পরে বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় আমীর খসরুর এই বক্তব্য পুনরায় নিশ্চিত করা হয়।

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ