27.1 C
Dhaka
Monday, June 22, 2026

“মামুন আমার পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তান নষ্ট করেছে” — বিস্ফোরক অভিযোগ লায়লা আখতার-এর

advertisment
- Advertisement -spot_img

টিকটক দুনিয়ার আলোচিত জুটি লায়লা আখতার ও প্রিন্স মামুন আবারও নতুন বিতর্কে জড়ালেন। এবার তাদের সম্পর্ক, মাদকাসক্তি এবং সহিংস আচরণ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে একাধিক ভিডিও ও মন্তব্য। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকরভাবে লায়লা অভিযোগ করেছেন, প্রিন্স মামুন তাকে গর্ভাবস্থায় শারীরিকভাবে আঘাত করে তাদের অনাগত সন্তানকে নষ্ট করেছেন।

রবিবার (১১ মে) মধ্যরাতে ‘লিংক ভাইরাল হওয়ার পর মামুনকে নিয়ে এটাই লায়লার শেষ কথা’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন লায়লা আখতার। সেখানে তিনি মামুনের বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ আনেন।

লায়লার বক্তব্য: “আমি চাইনি ও মাদক নিক, মেয়েদের সঙ্গে থাকুক”

ভিডিও বার্তায় লায়লা বলেন,
“সব সময় আপনারা আমাকে খারাপ চোখে দেখেছেন। মনে করেন আমি ভিলেন। কিন্তু আমি চাইনি মামুন নেশা করুক, মদ খাক, মেয়েদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ুক। আমি বাধা দিয়েছি, আর সেই কারণেই আমাকেই খারাপ বানানো হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন,
“২০২৩ সালে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছিল। মামুন আমার পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তান নষ্ট করেছে। তারপরও আমি তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করিনি। সে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে, গাড়ি-বাড়ি চেয়েছে। এমনকি গতকালও আমার বাসায় অনুপ্রবেশ করে গালিগালাজ করেছে।”

ভালোবাসা থেকে বিশ্বাসঘাতকতা?

লায়লা বলেন,
“আমি মামুনকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করতাম। সে যদি বলে ডান, আমি ধরে নিতাম এটাই ডান। আল্লাহ ভালো জানে, আমি তাকে কতটা ভালোবাসতাম। আমি শুধু চেয়েছিলাম তাকে ভালো রাখতে।”

মামুনের পাল্টা অভিযোগ

অন্যদিকে মামুন লায়লার সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি পাল্টা দাবি করেন, লায়লাই মাদকাসক্ত এবং তিনি একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত। মামুনের বক্তব্যও ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

আরও বিতর্ক: ঐশীর সঙ্গে সম্পর্ক

সম্প্রতি টিকটকার অনামিকা ঐশীর সঙ্গে মামুনের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হয়। এ নিয়েও চলছে তুমুল বিতর্ক। ভিডিওগুলো সামনে আসার পরই মূলত লায়লার এই অভিযোগমালা সামনে আসে।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া

এই ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করছেন, অন্যদিকে অনেকে এটিকে ‘ড্রামা’ বা মনোরঞ্জনের খোরাক হিসেবে দেখছেন।

পরিণতি অনিশ্চিত

এই পরিস্থিতি কেবল তাদের ব্যক্তিজীবন নয়, অনলাইন সমাজেও প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ বা আরও প্রকাশ্য বক্তব্য আসবে কিনা, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ