জুলাই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন, গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার ও নির্বাচনের আগে সংস্কার সম্পন্নের দাবি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নবনির্বাচিত কমিটি।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) বেলা ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
এর আগে, ২৫ জুন (বুধবার) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ন টাওয়ারে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে
- সভাপতি নির্বাচিত হন রিফাত রশীদ,
- সাধারণ সম্পাদক মো. ইনামুল হাসান,
- সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম
- এবং মুখপাত্র হন সিনথিয়া জাহিন আয়েশা।
আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি, তিনটি বিশেষায়িত কমিটির দায়িত্ব-কার্যক্রম এবং “বাংলাদেশ ২.০”-কে ভিত্তি করে খসড়া ইশতেহার উপস্থাপন করা হয়। এতে মূল প্রতিপাদ্য ছিল:
- গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতা রক্ষা,
- নতুন সংবিধান প্রণয়ন ও গণপরিষদ নির্বাচন আয়োজন,
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা,
- কল্যাণমুখী উন্নয়ন নীতি
- এবং ন্যায্য বৈদেশিক কূটনীতি।
এছাড়াও তিনটি বিশেষায়িত কমিটি—
১. লিয়াজো কমিটি
২. আর্থিক স্বচ্ছতা কমিটি
৩. জুলাই শোক ও স্মৃতি উদ্যাপন কমিটি—ঘোষণা করা হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও দাবি জানানো হয়:
- জুলাই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন,
- নির্বাচনের আগে সংস্কার সম্পন্ন,
- বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার,
- শহীদদের স্বীকৃতি এবং
- অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
সভাপতি রিফাত রশিদ বলেন,
“২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থান রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। ৩ আগস্ট ঘোষিত এক দফা ছিল শুধু রেজিম পরিবর্তন নয়, বরং নতুন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের প্রতিশ্রুতি। এখন ‘সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা’র নামে সেই অর্জনকে পুরোনো ব্যবস্থায় আত্মসাৎ করার চেষ্টা হচ্ছে, যা আমরা মেনে নেব না।”
অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক ইনামুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম এবং মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশাও বক্তব্য রাখেন।


