রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় দগ্ধদের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দগ্ধদের সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেন তিনি।
এ সময় উপদেষ্টা চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দগ্ধ রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
ড. সাখাওয়াত হোসেন জানান, বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমানটি ছিল ২৫ থেকে ৩০ বছর পুরোনো। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে সরকার। তিনি বলেন, “ব্ল্যাকবক্স পাওয়া গেলে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। এটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম মর্মান্তিক প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনা।”
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৭ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১০ জন চিকিৎসাধীন ছিলেন বার্ন ইনস্টিটিউটে।
তবে মঙ্গলবার দুপুরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। আহত অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও অন্তত ১৬৫ জন। নিহতদের মধ্যে একজন পাইলট ও একজন শিক্ষক বাদে বাকি সবাই স্কুলের শিক্ষার্থী।
উল্লেখ্য, সোমবার দুপুর ১টা ৬ মিনিটে কুর্মিটোলা বিমানবাহিনী ঘাঁটি এ কে খন্দকার থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর প্রশিক্ষণ বিমানটি উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনের ওপর বিধ্বস্ত হয়।


