জুলাই আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ছাত্রদলের একদল সাহসী কর্মী, যাদের অনেকেই এখন ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত। তাদের মধ্যে অন্যতম নাম উত্তর মিরপুরের শাহ আলী থানা ছাত্রদলের কর্মী মুস্তাকিং আলম দীপু।
মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে টানা গোলাগুলির মাঝেও দীপু ছিলেন সাহসী ও অটল। তিনি যেন এক গেরিলা যোদ্ধার মতোই অবস্থান নেন, মুখোমুখি হন প্রাণঘাতী আক্রমণের— এমনকি গুলিবিদ্ধও হন, তবু পিছু হটেননি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দীপু সেই ভয়াল দিনের স্মৃতিচারণা করে বলেন,
“আমি ছিলাম একেবারে গোলচত্বরের মাঝখানে, চারপাশ থেকে আমাদের ওপর গুলি চালানো হচ্ছিল। ওরা বারবার ধাওয়া দিচ্ছিল, আমরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলছিলাম। আমি আমার অবস্থান ছাড়িনি। পেছনের অনেকেই তখন আমার দেখানো পথেই এগিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন,
“কেউ নিশ্চিত ছিল না আমি বাঁচব কি না। সবই আল্লাহর রহমত যে আমি আজ জীবিত। ওই মুহূর্তগুলোতে ভয় নয়, দায়িত্ববোধ আর প্রতিরোধের মনোভাবই আমাকে চালিত করেছে।”
মুস্তাকিং আলম দীপুর এই সাহসিকতা ছাত্র রাজনীতির অঙ্গনে একটি শক্ত বার্তা দিয়েছে। রাজপথের আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা এখন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার নাম।


