সিলেটের গোয়াইনঘাটে নৌপথে চাঁদাবাজির মামলায় সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া আজমল হোসেনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। শনিবার (৯ জুলাই) রাত ৩টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—গোয়াইনঘাট উপজেলার লেঙ্গুড়া গ্রামের আজমল, একই এলাকার সুলতান আহমদ, বিল্লাল মেম্বার, সুবহান, শাকিল, ফারুক মিয়া ও ফয়সল মৌলবী।
সূত্র জানায়, আজমলের নেতৃত্বে একটি দল নৌকা ও বাল্কহেড আটকে চাঁদাবাজি করত। এ ঘটনায় সদর ইউনিয়নের আব্দুল হালিম মামলা দায়ের করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ শায়েস্তাগঞ্জে অভিযান চালিয়ে আজমলসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে রবিবার দুপুরে গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করে।
র্যাব জানায়, গত ২৮ জুন ভোরে আজমলসহ শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তি লেঙ্গুড়া বালু মহালে অবস্থান নিয়ে বালু ব্যবসায়ী ও নৌকার মালিকদের কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিতারাই নৌঘাটে নৌকার মাঝিদের ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে আজমল। যারা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তাদের হুমকি দিয়ে বাল্কহেড, নৌকা ও কার্গো জাহাজ আটকে রাখা হয়।
এ ঘটনায় আজমলকে প্রধান আসামি করে ৩৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০০–১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার মোহাম্মদ তোফায়েল আহমদ বলেন, “চাঁদাবাজির মামলায় সাতজনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।”


