বৈঠকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “রোহিঙ্গা জনগণের মর্যাদা ও নিরাপত্তা এবং অধিকার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি আমার সরকারের পূর্ণ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি। আমরা এই সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের অপেক্ষায় আছি।”
রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স করতে জাতিসংঘের মহাসচিবকে প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস। সংবাদমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এই আহ্বান জানান। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “রোহিঙ্গা জনগণের মর্যাদা ও নিরাপত্তা এবং অধিকার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি আমার সরকারের পূর্ণ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি। আমরা এই সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের অপেক্ষায় আছি।”
বাংলাদেশের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার পাশাপাশি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।
বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলায় ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে এক মিলিয়নেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। তাদের বেশিরভাগই মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর দমন-পীড়নের পরে এখানে এসেছে। যাকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নির্মূলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ’ বলে অভিহিত করেছে।
আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে ড. ইউনূস সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য উপস্থাপন করবেন বলে জাতিসংঘ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে। এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বাগতিক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রদত্ত ডিনার পার্টিতে অন্য সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতাদের সঙ্গে ড. ইউনূসও অংশ নেবেন। জাতিসংঘ সদর দফতরের কাছে ‘মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্ট’র বিশাল মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হবে।


