বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন আর অপেক্ষার সময় নেই—নির্বাচনের রাস্তায় গাড়ি উঠেছে, এটিকে শেষ পর্যন্ত চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
শনিবার (১১ অক্টোবর) গাজীপুরে প্রয়াত আ.স.ম. হান্নান শাহ’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, “কিছু লোক বিএনপির বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে যে বিএনপি নাকি সংস্কার মানে না। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই—বিএনপিই সংস্কারের জন্মদাতা। জিয়াউর রহমানই সংস্কারের মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, “মিথ্যা প্রচারণায় কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। সব দিক থেকেই চেষ্টা চলছে বিএনপিকে ঘায়েল করার জন্য। কিন্তু জনগণ ধানের শীষে ভোট দেবে।”
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “নির্বাচনকে ব্যাহত করার অপচেষ্টা চলছে। আমরা ১৫ বছর লড়াই করেছি এই নির্বাচনের জন্য। লন্ডনে ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠকের পর মানুষ আশাবাদী হয়েছে যে এবার তারা নিজেদের জনপ্রতিনিধি বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে। কিন্তু এখন দেশ চালাচ্ছে আমলারা।”
তিনি বলেন, “আমাদের একটাই দাবি—গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে, নির্বাচিত পার্লামেন্ট ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।”
সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফখরুল বলেন, “উপদেষ্টাদের কেউ কেউ বিশেষ দলের হয়ে কাজ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জনগণ কোনো পক্ষপাতমূলক আচরণ চায় না। সরকারের উচিত শতভাগ নিরপেক্ষ থাকা।”
ভারতের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারত সবসময় বাংলাদেশের মানুষকে বিপদে ফেলেছে—সীমান্ত হত্যা, পানির হিস্যা ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপ তার প্রমাণ। আমরা বন্ধুত্ব চাই, কিন্তু সেটি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে—বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ নয়।”


