বন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির পদে মো. সাহাবুদ্দিন থাকবেন কি থাকবেন না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে। এই সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে নেওয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত আসে।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের প্রশ্নে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’
সম্প্রতি দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সাপ্তাহিক রাজনৈতিক ম্যাগাজিন ‘জনতার চোখ’-এ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, শেখ হাসিনার পদত্যাগের কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই।
এর পর গত সোমবার আইন উপদেষ্টা মন্তব্য করেন, ‘রাষ্ট্রপতি যা বলেছেন, তা মিথ্যা এবং এটি তার শপথ ভঙ্গের সমান। তিনি ৫ আগস্ট রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেছিলেন যে, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন।’
এরপর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি জোরালো হয় এবং ছাত্রজনতা বঙ্গভবন ঘেরাও করে।
গতকাল বুধবার বিএনপির শীর্ষ তিন নেতা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেন এবং জানান যে, বিএনপি এই মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চায় না। তারা মনে করে, রাষ্ট্রপতির পদ খালি হলে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকট দেখা দিতে পারে।
তাই সরকার মনে করছে, এই বিষয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।


