প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনির জন্য ৫ শতাংশ কোটা তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী বছর থেকে এই কোটায় আবেদন ও ভর্তি সম্ভব হবে না। তবে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য কোটা বজায় থাকবে।
গতকাল সোমবার মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নতুন ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করেছে, যেখানে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এছাড়াও, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ এবং অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের যমজ ও সহদোর ভাই-বোনদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে।
স্কুলে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ১২ নভেম্বর, এবং ডিসেম্বরে লটারি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে, বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা না থাকলে নাতি-নাতনিদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত ছিল।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যার জন্য ৫ শতাংশ কোটা থাকবে। যদি এ কোটা পূর্ণ না হয়, তাহলে মেধাতালিকা অনুসারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ থাকবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা অফিসার জি. এম. মোস্তাফিজুর জানান, সাধারণত ৬ থেকে ১৩ বছরের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিকে ভর্তি হয়। এবারের ভর্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিদের কোটা আর থাকছে না, যদিও তাদের পুত্র-কন্যার কোটা থাকবে।


