28 C
Dhaka
Saturday, June 13, 2026

নতজানু নয়,দেশের স্বার্থে চাই সমতার ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি

advertisment
- Advertisement -spot_img

ভারতের বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলা ও জাতীয় পতাকা অবমাননাকে স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে, বাংলাদেশ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তে সমতার ভিত্তিতে একটি সঠিক নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যরা।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর রাওয়া কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে এই আহ্বান জানানো হয়। “ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান” শিরোনামের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মোহাম্মদ আহসানুল্লাহ বলেন, “আমরা আর নতজানু পররাষ্ট্রনীতি চাই না। দেশের স্বার্থে, সমতার ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন জরুরি। নতজানু নীতির কোনো স্থান আমাদের কাছে নেই।”

তিনি আরও বলেন, ভারতের সাধারণ জনগণ আমাদের বন্ধু, তাদের সঙ্গে কোনো শত্রুতা নেই। তবে ভারতের গেরুয়া পোশাকধারী হিন্দু আধিপত্যবাদকে বাংলাদেশে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

সমাবেশের আরেক বক্তা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল লুৎফুল হক সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের যেসব জাতীয় চুক্তি রয়েছে, সেগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করুন। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয়দের প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা করে তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। ভারতীয় মিডিয়া যদি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালায়, তবে তাদের কার্যক্রমও বন্ধ করতে হবে।”

সমাবেশ শেষে রাওয়া ক্লাব থেকে একটি মিছিল বের করা হয়, যাতে পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সংলগ্ন ক্রসিং হয়ে আবার রাওয়া ক্লাবে এসে শেষ হয়।

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যরা মনে করেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতার ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ভারতের বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলা ও জাতীয় পতাকা অবমাননাকে স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে, বাংলাদেশ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তে সমতার ভিত্তিতে একটি সঠিক নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যরা।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর রাওয়া কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে এই আহ্বান জানানো হয়। “ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান” শিরোনামের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মোহাম্মদ আহসানুল্লাহ বলেন, “আমরা আর নতজানু পররাষ্ট্রনীতি চাই না। দেশের স্বার্থে, সমতার ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন জরুরি। নতজানু নীতির কোনো স্থান আমাদের কাছে নেই।”

তিনি আরও বলেন, ভারতের সাধারণ জনগণ আমাদের বন্ধু, তাদের সঙ্গে কোনো শত্রুতা নেই। তবে ভারতের গেরুয়া পোশাকধারী হিন্দু আধিপত্যবাদকে বাংলাদেশে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

সমাবেশের আরেক বক্তা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল লুৎফুল হক সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের যেসব জাতীয় চুক্তি রয়েছে, সেগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করুন। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয়দের প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা করে তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। ভারতীয় মিডিয়া যদি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালায়, তবে তাদের কার্যক্রমও বন্ধ করতে হবে।”

সমাবেশ শেষে রাওয়া ক্লাব থেকে একটি মিছিল বের করা হয়, যাতে পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সংলগ্ন ক্রসিং হয়ে আবার রাওয়া ক্লাবে এসে শেষ হয়।

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যরা মনে করেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতার ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ