পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জানুয়ারি থেকে ৩৫ হাজার টাকা ভাতা কার্যকরের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। সরকারের পক্ষ থেকে আপাতত ৩০ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তারা সেটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের সংগঠন “ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস সোসাইটি”-এর সাধারণ সম্পাদক ডা. নুরুন্নবী এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, “ডা. সায়েদুর রহমান স্যারের আমন্ত্রণে আমরা চার জনের একটি প্রতিনিধি দল আলোচনায় অংশ নিই। বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বর্তমান বরাদ্দ সীমাবদ্ধতার কারণে জুলাই থেকে ৩৫ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া সম্ভব। তবে জানুয়ারি থেকে ৩০ হাজার টাকার ভাতা কার্যকর হবে।”
তবে চিকিৎসকদের দাবি, “জানুয়ারি থেকেই ৩৫ হাজার টাকা ভাতা কার্যকরের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। বারবার রাস্তায় নামতে আমরা চাই না। তাই একটি স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন।”
সাধারণ মানুষের ভোগান্তিতে দুঃখপ্রকাশ করলেও আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা বলেছেন, দাবি আদায় ছাড়া আন্দোলন বন্ধ করার কোনো উপায় নেই। তারা আরও জানান, আগের সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয় ডিসেম্বরে। এ অভিজ্ঞতার কারণে তারা আর কোনো প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করবেন না।
এর আগে, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জুলাই থেকে ৩৫ হাজার টাকা ভাতা চালু করা হবে। তবে আপাতত জানুয়ারি থেকে ৩০ হাজার টাকা ভাতা কার্যকর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রথমে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দল প্রস্তাবে রাজি হলেও অন্য চিকিৎসকদের চাপের মুখে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রসঙ্গত, গত ২২ ডিসেম্বর একই দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছিলেন চিকিৎসকরা। তখন সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ হাজার টাকা ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।


