28.5 C
Dhaka
Sunday, June 21, 2026

“স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা আসে মেজর জিয়ার কণ্ঠেই” – মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক

advertisment
- Advertisement -spot_img

মুক্তিযুদ্ধের সময় কুমিল্লা অঞ্চলের সংগঠক এবং বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর হামলার পর বাংলাদেশের মানুষ মনে মনে তাদের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল। তিনি বলেন, “২৫ মার্চ রাতেই পাকিস্তানিরা জনগণের কাছে শেষ হয়ে গিয়েছিল। বাকি সময়টা শুধু তাদের দখলদারিত্বের অবসান ঘটিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।”

মনিরুল হক চৌধুরী, যিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন, বলেন, ২৫ মার্চের রাতে তিনি কেরানীগঞ্জে যান, যেখানে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনার অপেক্ষায় ছিলেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা যেখানেই যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, কেন্দ্রীয় নেতাদের কাউকে পাইনি।”

তিনি বলেন, স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার বিষয়ে তখনকার পরিস্থিতি ছিল অনিশ্চিত। “শেখ মুজিবুর রহমানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সম্পর্কে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধারা অবগত ছিলেন না। শহীদ জিয়াউর রহমানের ঘোষণাই মুক্তিযুদ্ধের প্রথম আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে স্বীকৃত হয়ে যায়,” বলেন তিনি।

মনিরুল হক চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারতের আগরতলায় প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে দুই শতাধিক সফল অভিযান পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, “আমি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলাম। নিজেই দল গঠন করতাম, প্রশিক্ষণ দিতাম, অস্ত্র বিতরণ করতাম এবং অপারেশন পরিচালনা করতাম।”

তিনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির বিষয়ে আক্ষেপ করে বলেন, “আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে, যার ফলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অনেক জায়গায় খাটো করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছি, শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে ভারতের আগরতলায় পৌঁছেছিলাম। সেখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছি।”

সুত্রা২৪

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ