চার দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫’ শেষ হয়েছে। এই সামিট আয়োজন করতে সরকারের ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, আর পার্টনার প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এসেছে প্রায় ৩.৫ কোটি টাকার অনুদান।
রোববার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, “চার দিনের দৌড়ঝাঁপে যদি অন্তত ৪ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়, আর দেশের প্রতি বিদেশিদের দৃষ্টিভঙ্গি একচুলও বদলায়, তাহলে আমাদের পরিশ্রম সার্থক।”
সামিট থেকে হান্ডা গ্রুপ ও শপআপ মিলিয়ে মোট ৩,১০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি এসেছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, “বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান দেশের যেকোনো সরকারের অগ্রাধিকার এজেন্ডা। তাই সামিটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়েছেন।”
সামিটের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক:
- সরকারি খরচ: ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা
- অতিরিক্ত অনুদান: ৩.৫ কোটি টাকা (প্রাইভেট পার্টনারদের পক্ষ থেকে)
- বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি: ৩,১০০ কোটি টাকা
- উপস্থিতি: উদ্বোধনী দিনে ৭১০ জন (৪১৫ জন বিদেশি/প্রবাসী বাংলাদেশি), সাড়ে তিন হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী ব্রেকআউট সেশনে
- দ্বিপাক্ষিক মিটিং: ১৫০টির বেশি
- সাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (MOU): ৬টি
চৌধুরী আশিক বলেন, “এই ধরনের আয়োজন প্রতি বছর করা উচিত। সামিটের সফলতা সময়ই প্রমাণ করবে। এখন আমাদের কাজ হলো সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের ট্র্যাক করা, সহযোগিতা করা ও তাদের আস্থা অর্জন করা।”
তিনি আরও বলেন, “বিডার মূল দায়িত্বই হলো দেশকে প্রমোট করা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।”
সুত্রা২৪


