বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, রাখাইনে করিডর দেওয়ার এখতিয়ার এই অন্তবর্তীকালীন সরকারের নেই। কারণ এই সরকারের জনগণের কাছে কোনো জবাবদিহিতা নেই, এমনকি সংসদের কাছেও নয়।
বুধবার (আজ) সুপ্রিম কোর্ট এনেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “করিডর দেওয়া বা না দেওয়া রাষ্ট্রের একটি নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। এটি রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থনে গঠিত একটি অন্তবর্তীকালীন সরকার। তাই করিডরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারের উচিত সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করা।”
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. মাকসুদ উল্লাহ।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ এপ্রিল পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানান, জাতিসংঘ চলতি বছরের প্রথমার্ধে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা করেছিল। সেই প্রেক্ষাপটে গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত রাখাইন রাজ্যে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশের কাছে একটি ‘করিডর’ দেওয়ার অনুরোধ জানায় জাতিসংঘ।
তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ও শর্ত সাপেক্ষে মিয়ানমারের বেসামরিক লোকজনের জন্য করিডর দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।


