চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের আংশিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৩টা পর্যন্ত ঘোষিত ১২টি কেন্দ্রের ফলে ভিপি ও জিএস পদে এগিয়ে রয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা। অন্যদিকে এজিএস পদে এগিয়ে আছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী।
ভিপি পদে শিবির সমর্থিত ইব্রাহিম হোসেন রনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৭০ ভোট, আর ছাত্রদল মনোনীত সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় পেয়েছেন ৩ হাজার ৪০৮ ভোট।
জিএস পদে শিবিরের সাঈদ বিন হাবীব পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৩৩ ভোট, ছাত্রদলের শাফায়াত পেয়েছেন ২ হাজার ৪৭ ভোট।
এজিএস পদে ছাত্রদল সমর্থিত আইয়ুবুর রহমান তৌফিক পেয়েছেন ৫ হাজার ২৫৪ ভোট, আর শিবিরের সাজ্জাদ হোসেন মুন্না পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯১ ভোট।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু, হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। এবার ১৩টি প্যানেল অংশ নেয় ২৩২টি পদে, মোট প্রার্থী ছিলেন ৯০৮ জন।
ভোট গণনা চলছে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে। হল সংসদের ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে ভোটকেন্দ্রেই, আর কেন্দ্রীয় সংসদের ফলাফল ঘোষণা করা হবে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের মিলনায়তনে।
নির্বাচন নির্বিঘ্ন রাখতে অনুষদের ডিনদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগের সভাপতিদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভোটারদের সুবিধার্থে সারাদিনে ১১ দফা শাটল ট্রেন সার্ভিস ও ১৫টি বাস চালু রাখা হয়।
You said:
another news
ChatGPT said:
চবির চাকসু নির্বাচনে শিবিরের প্রভাব, দুই পদে এগিয়ে সংগঠনটির প্রার্থীরা
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে শিবিরের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৩টা পর্যন্ত ঘোষিত ১২টি কেন্দ্রের ফলে দেখা গেছে, ভিপি ও জিএস পদে এগিয়ে আছেন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা, আর এজিএস পদে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী।
ফল অনুযায়ী, ভিপি পদে শিবিরের ইব্রাহিম হোসেন রনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৭০ ভোট, ছাত্রদলের সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় পেয়েছেন ৩ হাজার ৪০৮ ভোট।
জিএস পদে শিবিরের সাঈদ বিন হাবীব পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৩৩ ভোট, আর ছাত্রদলের শাফায়াত পেয়েছেন ২ হাজার ৪৭ ভোট।
অন্যদিকে এজিএস পদে ছাত্রদলের আইয়ুবুর রহমান তৌফিক পেয়েছেন ৫ হাজার ২৫৪ ভোট, শিবিরের সাজ্জাদ হোসেন মুন্না পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯১ ভোট।
এদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে ১৩টি প্যানেলের ৯০৮ জন প্রার্থী ২৩২টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ভোট গণনা চলছে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে। ফলাফল ঘোষণার জন্য ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের মিলনায়তনে বসানো হয়েছে এলইডি স্ক্রিন।
নির্বাচন পরিচালনা করেন অনুষদের ডিনরা রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে এবং বিভাগের সভাপতিরা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ভোটারদের সুবিধার্থে বিশেষ শাটল ট্রেন ও বাস সার্ভিস চালু ছিল সারাদিন। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৫১৮ জন।


