পহেলা বৈশাখের ছুটির দিনেও ভারতের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে একদিনে রেকর্ড পরিমাণ ৮,৪৩১ টন চাল আমদানি হয়েছে। এই চাল ২০১টি ট্রাকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বিশেষ ব্যবস্থায় বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম খোলা রাখা হয়েছিল, যাতে ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাল আনতে পারেন।
এদিকে, চাল আমদানি বন্ধ হওয়ার খবর পেয়ে বন্দরে বেড়ে গেছে চালের দাম। প্রতি কেজি চালের দাম ২ থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে এবং কিছু কিছু চালের দাম ৪-৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ছে।
ফুড মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, চাল আমদানির সময়সীমা ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে, অনেক আমদানিকারকের এলসি করা চাল ভারতে ট্রাকে বোঝাই অবস্থায় ছিল এবং কিছু শিপমেন্ট পূর্ণ হয়নি। নির্ধারিত সময়সীমার পর চাল আমদানি হলে ৬২.৫% শুল্ক দিতে হবে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই, পহেলা বৈশাখের সরকারি ছুটির দিনেও বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল।
কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বেশ কিছু পণ্য খালাস হয়নি, তবে মঙ্গলবার সকাল থেকে খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন যে, চালের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আমদানি মেয়াদ আরও এক মাস বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
সুত্রা২৪


