সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের পরিবারের জন্য নির্ধারিত ৫% কোটা বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (৩ মার্চ) নতুন আদেশ জারি করে আগের নিয়ম বাতিল করা হয়। তবে কোটার পরিবর্তে প্রতি শ্রেণিতে অতিরিক্ত একটি আসন সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (মাধ্যমিক-১) মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, এ সিদ্ধান্ত নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মন্তব্য করেন। তিনি লিখেছেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের পরিবারের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির কোটা বাতিল করা হয়েছে। কোটার বিরুদ্ধে যে আন্দোলন হয়েছিল, সেটাই গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছিল—আমরা যেন তা ভুলে না যাই।’
নতুন নীতিমালার মূল ধারা
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী—
✅ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত ও শহীদদের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রতি শ্রেণিতে অতিরিক্ত ১টি আসন সংরক্ষিত থাকবে।
✅ এসব আসন লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হবে।
✅ ভর্তির সময় প্রমাণপত্র ও গেজেটের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।
✅ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যাচাইকৃত গেজেট অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
✅ সংরক্ষিত আসনে উপযুক্ত আবেদনকারী না পাওয়া গেলে মেধা তালিকা থেকে ভর্তি করা হবে, তবে আসন শূন্য রাখা যাবে না।
শিক্ষামন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ভর্তির প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে এবং যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সুত্রা২৪


