আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রার্থিতা জমা দিতে বিশ্বজুড়ে সমর্থন সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল। ট্রাম্পকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ আখ্যা দিয়ে সোমবার (১৩ অক্টোবর) ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেট এই ঘোষণা দেয়।
ট্রাম্প নিজে আগ্রহ প্রকাশ করার পর, ভেনেজুয়েলার নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো এবারের নোবেল পুরস্কার জয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা আসে।
নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা বলেন, ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ট্রাম্প বিশ্ব শান্তিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন।
নেসেটে ট্রাম্পের প্রশংসায় দাঁড়িয়ে করতালি দেয় সদস্যরা। ওহানা বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, আপনি শান্তির প্রেসিডেন্ট। এই গ্রহে এমন কোনো ব্যক্তি নেই, যিনি শান্তি প্রতিষ্ঠায় আপনার চেয়ে বেশি কাজ করেছেন—কেউ তার কাছেও পৌঁছাতে পারেননি।”
তিনি আরও বলেন, “আপনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া কেবল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। আপনার অটল সংকল্পের মাধ্যমে বিশ্বের অন্তত আটটি অঞ্চলে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটেছে। নয় মাসেরও কম সময়ে আপনি ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।”
ওহানা মনে করেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্প সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। তিনি বলেন, “আমি ঘোষণা করছি—আমাদের বন্ধু, যুক্তরাষ্ট্রের হাউস স্পিকার মাইক জনসনের সঙ্গে মিলে আমরা বিশ্বজুড়ে সংসদের স্পিকার ও নেতাদের একত্রিত করব, যাতে আগামী বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রার্থিতা জমা দেওয়া যায়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, আপনার চেয়ে যোগ্য আর কেউ নেই।”


