এ বছর অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিনজন মার্কিন অর্থনীতিবিদ: ড্যারন অ্যাসেমোগ্লু, সাইমন জনসন এবং জেমস এ. রবিনসন। তারা একটি দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে গঠন করা হয় এবং এর ফলে সমৃদ্ধিতে কী প্রভাব পড়ে, এই বিষয়ে গবেষণা করার জন্য সম্মানিত হয়েছেন।
এই তিন অর্থনীতিবিদ বিশ্লেষণ করেছেন কেন কিছু দেশ গরীব এবং কিছু দেশ ধনী হয়ে থাকে।
বাংলাদেশ সময় সোমবার বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে সুইডেনের স্টকহোম থেকে এ বছরের অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে দ্য রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।
অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারের গুরুত্ব নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সোশ্যাল সায়েন্সে ব্যাংক অব সুইডেন পুরস্কার’ নামে পরিচিত। যদিও এটি নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে যুক্ত, তবে এটি আলফ্রেড নোবেলের মূল পাঁচটি পুরস্কারের অংশ নয়, যা ১৯০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৬৮ সালে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ৩০০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এই পুরস্কার চালু করে। তবে অন্যান্য পুরস্কারের সঙ্গে একই সময়ে ঘোষণা এবং সমমর্যাদার কারণে এটি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথম সোমবার নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা শুরু হয়। এ বছর ৭ অক্টোবর চিকিৎসাশাস্ত্র, ৮ অক্টোবর পদার্থবিদ্যা, ৯ অক্টোবর রসায়ন, ১০ অক্টোবর সাহিত্য, এবং ১১ অক্টোবর শান্তিতে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। অর্থনীতিতে পুরস্কার বিজয়ীর নাম ১৪ অক্টোবর প্রকাশ করা হয়, যা এ বছরের নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা শেষ করে।
গত বছর অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন মার্কিন অর্থনীতিবিদ ক্লডিয়া গোল্ডিন, যিনি নারীদের শ্রম বাজারের ফলাফল সম্পর্কিত গবেষণার জন্য এই সম্মাননা লাভ করেন।
এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে, অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তিন মার্কিন নাগরিক: বেন এস বার্নান্কে, ডগলাস ডব্লিউ ডায়মন্ড এবং ফিলিপ এইচ ডিবভিগ। ব্যাংক ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে গবেষণা করায় তাদেরকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।


