28.7 C
Dhaka
Wednesday, June 10, 2026

বাংলাদেশের চলমান সংকটের প্রভাবে কলকাতার হাজার হাজার মানুষের জীবিকা হারানোর শঙ্কা

advertisment
- Advertisement -spot_img

বাংলাদেশের চলমান সংকটের প্রভাবে হাজার হাজার মানুষ জীবিকা হারানোর ঝুঁকিতে আছেন বলে সতর্ক করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সেন্ট্রাল কলকাতার ব্যবসায়ীরা। তাঁরা জানান, দুই দেশের সম্পর্কের উত্তেজনার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এই ব্যবসায়ীরা বড় অঙ্কের ঋণ নিয়ে অথবা সম্পত্তি বন্ধক রেখে কলকাতায় ব্যবসা শুরু করেছিলেন।

ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, বাংলাদেশে চলমান অস্থিতিশীলতা এবং দুদেশের মধ্যে সম্পর্কের সংকটে অনেক ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারেন। ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, মার্কুইস স্ট্রিট এবং আশপাশের এলাকায় প্রায় ৫ হাজার হোটেল ও গেস্টহাউস রয়েছে, যেখানে এখন ঘর ভাড়া নেওয়ার হার ৫ শতাংশেরও কম।

চৌরঙ্গি লেনের একটি গেস্টহাউসের মালিক জানান, তিনি ৩০ লাখ রুপি দিয়ে সম্পত্তিটি লিজ নিয়েছেন, কিন্তু বাংলাদেশি অতিথি না আসায় তার ব্যবসা সংকটে পড়েছে। তার মতো অনেক ব্যবসায়ীরই একই অবস্থা।

অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী খান বলেন, “বড় হোটেলগুলো হয়তো কিছু সময়ের জন্য এই মন্দা সহ্য করতে পারবে, কিন্তু ছোট গেস্টহাউসের মালিকরা যারা ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন, তারা ক্রমবর্ধমান ক্ষতির বোঝা বহন করতে পারছেন না।”

এই পরিস্থিতিতে কলকাতা ও ঢাকার মধ্যে ফ্লাইট চলাচল কমে গেছে এবং বাস অপারেটররাও তাদের পরিষেবার সীমিত করে দিয়েছে। পরিবহন অপারেটররা বলেন, যাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় তাদের কর্মীদের পুরো বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞার প্রভাবও সিকিমের পর্যটন খাতে বড় ধাক্কা দিয়েছে। ২০২৩ সালে সিকিমে বাংলাদেশি পর্যটক সংখ্যা কমেছে ৪০ হাজার ৫৯৭ থেকে ২৭ হাজার ১২৬-এ। নর্থ সিকিম আবারও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রায় ৫০ শতাংশই বাংলাদেশি। এই পরিস্থিতিতে সিকিমের পর্যটন-নির্ভর অর্থনীতিও চ্যালেঞ্জে পড়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ