আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, “নাহিদ মিথ্যাবাদী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সে বলেছিল, বৈষম্যবিরোধী কার্যক্রম আর নেই, সেটা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু নাহিদের অফিস বা এনসিপির অফিস থেকেই বৈষম্যবিরোধী কাউন্সিলের আয়োজন করা হয়েছে। অর্থাৎ সে যা বলেছিল, তা সরাসরি উল্টো কাজ করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “এর মানে তারা জোর করে জনগণের চোখে ধুলা দিতে চেয়েছে।”
তারেক রহমান বলেন, “কেন তারা বৈষম্যবিরোধী কর্মসূচি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছিল? কারণ তারা ব্যাপকভাবে চাঁদাবাজি করছিল। এই ‘বিলুপ্ত ঘোষণা’ ছিল এক ধরনের ‘আই-ওয়াশ’। যা মানুষের চোখে ধুলা দেওয়ার মতো একটি কৌশল। এর ফলে যে লুটপাট হয়েছে স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ে, তার দায় যেন তাদের ওপর না আসে।”


