বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রবিবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক মো. আক্তারুজ্জামান এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
এইদিন মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ছিল। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে শুনানি পিছানোর আবেদন জানালে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার উপস্থিতি দেন।
এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম, মো. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান এবং সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশারফ হোসেন।
২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে এই কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম মামলাটি শাহবাগ থানায় করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি) বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দেওয়ার মাধ্যমে সরকার প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিএমসি ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা, এবং তার সাথেই উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করা হয়। এই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়া উচ্চ আদালতে আবেদন করলে ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত করেন।


