অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “নির্বাচনের যাত্রা শুরু হয়ে গেছে, আর এখন তা থামবে না। তবে এই যাত্রা শেষ গন্তব্যে পৌঁছাতে কিছু কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্বাচন কত তাড়াতাড়ি হবে, তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য ও তাদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে আমরা কীভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি।”
তিনি রবিবার সন্ধ্যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন।
ড. ইউনূস আরও জানান, “নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালে দেশের অন্যান্য সংস্কার বিষয়ক কমিশনের সুপারিশ নিয়ে আলোচনা চলবে। কিছু সংস্কারের জন্য সময়ের প্রয়োজন হতে পারে, এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা ক্রমাগত প্রশ্ন তুলে যাব। নির্বাচনের আগে যে সংস্কারগুলো করা জরুরি, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া, কিছু সংস্কার নির্বাচন চলাকালীনও করা যেতে পারে, এবং এর জন্য নির্বাচনের তারিখ কিছুটা পেছানো হতে পারে।”
নির্বাচন কমিশন গঠন প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, “নির্বাচন কবে হবে, সে প্রশ্ন সবার মনেই রয়েছে এবং আমাদেরও রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছি। কিছুদিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে, এবং তার পর থেকেই নির্বাচন আয়োজনের সব দায়িত্ব তাদের উপর বর্তাবে।”
তিনি আরও জানান, “নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদসহ নির্বাচনের সুষ্ঠু আয়োজনের জন্য নানা প্রস্তুতি শুরু করবে। বিশেষত, প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন, সে বিষয়ে সরকার কাজ করছে।”


