27.5 C
Dhaka
Sunday, June 21, 2026

সাতকানিয়ায় নিহত জামায়াত কর্মীর কাছে ছিল ‘পুলিশের লুট হওয়া পিস্তল’  

advertisment
- Advertisement -spot_img

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় গণপিটুনিতে নিহত নেজাম উদ্দিন ও আবু ছালেক হত্যার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার পর উদ্ধার হওয়া পিস্তলটি নগরের কোতোয়ালি থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র বলে নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গত সোমবার রাতে সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকায় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে দুজন নিহত হন। তবে পুলিশের দাবি, এটি আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে ঘটে।

লুট হওয়া অস্ত্র ও তদন্ত

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন,
“হত্যাকাণ্ডের দিন নেজাম উদ্দিন অস্ত্র প্রদর্শন করেছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে যে পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি কোতোয়ালি থানার লুট হওয়া অস্ত্রের তালিকায় ছিল।”

গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর চট্টগ্রাম নগরের ছয়টি থানার ৮১৫টি অস্ত্র লুট হয়। এর মধ্যে ৬০০টির বেশি উদ্ধার হয়েছে, তবে এখনও ২০০টির বেশি অস্ত্র নিখোঁজ

জামায়াত ইসলামী নেতারা দাবি করেছেন,
“এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিকের নির্দেশে তার ভাইদের তত্ত্বাবধানে এটি সংঘটিত হয়েছে।”

তবে পুলিশ বলছে,
“আমরা কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাইনি। ঘটনাটি মূলত এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের বিরোধের কারণে ঘটেছে। নিহতরা অস্ত্র প্রদর্শন করছিল এবং নিয়মিত চাঁদা আদায় করত বলে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।”

  • অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।
  • তবে গণপিটুনিতে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি।
  • নিহতদের বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ থাকায় তদন্ত আরও বিস্তৃত করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে,
“আমরা অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি, গণপিটুনির বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছি এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সুত্রা২৪

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ