মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদন প্রকাশের অভিযোগ তুলে প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ হুঁশিয়ারি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘‘চাঁদা না পেয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ শিবিরকর্মীদের বিরুদ্ধে’’ শিরোনামে প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি মিথ্যা ও একপাক্ষিক। এতে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থী।’
ছাত্রশিবিরের নেতারা অভিযোগ করেন, প্রতিবেদনে ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে অভিযুক্তদের শিবিরকর্মী বলা হলেও ছাত্রশিবিরের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া হয়নি। তারা বলেন, ‘প্রথম আলোর মতো একটি প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে এ ধরনের মনগড়া ও যাচাইবিহীন প্রতিবেদন দুর্ঘটনাবশত হয়েছে— এমনটি বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। এটি পূর্বপরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অতীতেও প্রথম আলো ছাত্রশিবিরকে নিয়ে ‘শিবিরের কমিটিতে পূজা চেরী’, কিংবা ‘২৬ বছর পর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন শিবির নাছির’— এমন শিরোনামে একাধিক বিতর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এসব প্রতিবেদনের মাধ্যমে ছাত্রশিবিরকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি করে সংগঠনটি।
ছাত্রশিবির জানায়, তারা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ছাত্র ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত এবং সংগঠনের অর্থায়ন পদ্ধতি গঠনতন্ত্রে সুস্পষ্টভাবে নির্ধারিত। সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অনুদানের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হয় বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
বিবৃতির শেষে ছাত্রশিবির নেতারা বলেন, ‘প্রথম আলোকে অবিলম্বে প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার, দুঃখ প্রকাশ এবং সংশোধনী প্রকাশ করতে হবে। তা না হলে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’


