পহেলা বৈশাখে দেশের মানুষের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা দ্রুত ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট শাসক হাসিনা জনগণের ভোটাধিকারসহ মৌলিক অধিকার হরণ করে কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করেছেন।”
সোমবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর পরিবাগে ‘সতীর্থ স্বজন’ আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
“ভোটাধিকার ফেরানোই জাতীয় চাওয়া”
রিজভী বলেন, “গণতন্ত্র মানেই সংস্কার। গণতন্ত্রকে আটকে রাখা মানে সংস্কৃতির বিকাশ রোধ করা। বর্তমানে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের ১৬ বছরের আন্দোলন গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য। জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে কোনো টালবাহানা চলবে না।”
আলোচনায় রিজভী ২০০৬-০৭ সালের ছাত্র আন্দোলনের কথা স্মরণ করেন। বলেন, “আমি তখন কারাগারে। বাইরে ছাত্রদলের আন্দোলন ছিল দুর্বার। পুলিশ বলেছিল, একজন গুলিবিদ্ধ হলে আরেকজন এসে দাঁড়াত। এই সাহস আসে কবি নজরুলসহ বহু সাহিত্যিকের লেখা থেকে।”
তিনি অভিযোগ করেন, “গত ১৫ বছরে দেশের সংস্কৃতিকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এমনকি পহেলা বৈশাখের মতো জাতীয় উৎসবেও আমাদের নেত্রীকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। মুখোশের আড়ালে দাড়ি-টুপি পরা মানুষদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে।”
রিজভীর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে, বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংস্কৃতি, গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকার একটি অভিন্ন স্রোতের মতো—যেখানে গণতন্ত্রই সংস্কৃতিকে প্রবাহমান রাখে।
সুত্রা২৪


