নির্বাচন ছাড়া দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা একটি বিপজ্জনক প্রবণতা—এটি সরকারকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তারা বুঝতে চাইছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (৩ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় থাকা বিপজ্জনক। আমরা সরকারকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু তারা তা বুঝতে চাইছে না। ডিসেম্বরের পর নির্বাচন করার পেছনে কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। বরং ডিসেম্বরই অনেক দেরি। সংস্কারের নামে নির্বাচন বিলম্বিত করাই মূল উদ্দেশ্য।”
তিনি আরও বলেন, “বিচারের সঙ্গে নির্বাচনকে মেলানো ঠিক নয়। বিচার একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। গত ১৭ বছরে ৭ হাজার ১৮৮টি বিচার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। শেখ হাসিনার বহু অপরাধ রয়েছে, অল্প সময়ে সব বিচারের আওতায় আনা সম্ভব নয়।”
এর আগের দিন সোমবারও নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি বলেন, “জাতীয় নির্বাচন কোনোভাবেই ডিসেম্বরের পরে হওয়া উচিত নয়। এমন কোনো সংস্কার নেই যা এক মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।”
বিএনপি এই অবস্থানে অনড় রয়েছে যে, অবিলম্বে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজনই দেশের স্থিতিশীলতা এবং জনগণের মতপ্রকাশের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে পারে।


