গত দুই বিশ্বকাপে বাছাই পর্ব পেরিয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছিল ইতালি। কাতার বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা প্লে-অফ সেমিফাইনালে নর্থ মেসিডোনিয়ার বিপক্ষে হেরে বাদ পড়ে। এবারের বিশ্বকাপ বাছাইয়েও শুরুর দিকে ছন্দপতন ঘটেছিল তাদের। নরওয়ের বিপক্ষে ৩-০ গোলের হার দিয়ে অভিযান শুরু করলেও এরপর টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে আবারো বিশ্বকাপের স্বপ্ন জীবন্ত রেখেছে আজ্জুরিরা।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে ইউরোপীয় অঞ্চলের আই গ্রুপের ম্যাচে ইসরায়েলকে ৩-০ গোলে হারায় ইতালি। এই জয়ে তারা অন্তত প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে পরাজয়ের ফলে ইসরায়েলের বিশ্বকাপে খেলার আশা শেষ হয়ে গেছে।
ইতালির হয়ে মাতেও রেতেগুই করেন জোড়া গোল, আরেকটি গোল করেন জিয়ানলুকা মানচিনি। এটি বাছাই পর্বে ইতালির টানা পঞ্চম জয়। ৬ ম্যাচে ৫ জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে আছে তারা। সমান ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে নরওয়ে। ইসরায়েলের সংগ্রহ ৭ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট, শেষ ম্যাচ জিতলেও দ্বিতীয় স্থানে ওঠা সম্ভব নয় তাদের জন্য।
উদিনের ব্লুএনার্জি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে স্পটকিক থেকে রেতেগুই ইতালিকে লিড এনে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৪ মিনিটে করেন নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল। যোগ করা সময়ে, অর্থাৎ ৯৩ মিনিটে মানচিনি করেন শেষ গোলটি, ইসরায়েলের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন তিনিই।
ইউরোপীয় অঞ্চলের বাছাই পর্বে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে। রানার্সআপ দলগুলো অংশ নেবে প্লে-অফে, যেখানে তাদের সঙ্গে যুক্ত হবে নেশন্স লিগের চার সেরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন।
এদিকে নিজেদের গ্রুপে বড় জয় পেয়েছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। গ্রুপ ই-এর ম্যাচে বুলগেরিয়াকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।
হোসে জোরিয়ায় ম্যাচজুড়ে আধিপত্য দেখায় স্পেন। ৭৮ শতাংশ বল দখলে রেখে তারা নেয় ৩৩টি শট, যার ১১টি ছিল লক্ষ্যে। বুলগেরিয়া নিতে পারে মাত্র ৩টি শট, কোনোটিই লক্ষ্যে নয়।
স্পেনের হয়ে ৩৫ ও ৫৭ মিনিটে দুই গোল করেন মিকেল মেরিনো। ৭৯ মিনিটে বুলগেরিয়ার আতানাস আতানাসভ আত্মঘাতী গোল করেন। ৯২ মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবাল শেষ গোলটি করে জয় নিশ্চিত করেন।
টানা চার জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপের দ্বারপ্রান্তে স্পেন। সমান ম্যাচে তিন জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে তুরস্ক।


