২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করা হবে তিন মহাদেশের ছয়টি দেশে, যা ফুটবলের শতবর্ষ উদযাপনকে স্মরণীয় করে তুলতে বিশেষভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে।
মূল আয়োজক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে স্পেন ও পর্তুগাল (ইউরোপ) এবং মরক্কো (আফ্রিকা)। তবে শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রতীকীভাবে দক্ষিণ আমেরিকার তিনটি দেশে—উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা এবং প্যারাগুয়ে—একটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। উরুগুয়ে আয়োজন করবে উদ্বোধনী ম্যাচ, দ্বিতীয় ম্যাচ হবে আর্জেন্টিনায় এবং তৃতীয় ম্যাচ প্যারাগুয়েতে।
বিশ্বকাপের মূল পর্বের বাকি ম্যাচগুলো হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে। পর্তুগাল এই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখাচ্ছে। স্পেন দীর্ঘ ৪২ বছর পর, ১৯৮২ সালের পর, আবারও বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পাচ্ছে। মরক্কো এবং প্যারাগুয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজনের অভিজ্ঞতা পেতে যাচ্ছে।
ফিফা এই তিন দেশের যৌথ প্রস্তাব এক বছর আগে চূড়ান্ত করেছিল। দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো নিজেদের প্রস্তাব প্রত্যাহার করে উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে এবং আর্জেন্টিনায় একটি করে ম্যাচ আয়োজনের শর্তে সমঝোতা করে।
এই আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিন মহাদেশের দেশগুলো একত্রে টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে। ২০৩০ সালের এই আসর ফুটবলের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে।


