শেফিল্ড ডার্বিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরপরই ম্যানচেস্টার থেকে বিমানে উঠে বসেন হামজা চৌধুরী। গন্তব্য—বাংলাদেশের সিলেট। দেশের ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করা এই মিডফিল্ডারের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সাংবাদিক—সবার নজর ছিল তার দিকেই।
বাংলাদেশে হামজাকে ঘিরে যে উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে, তা বিশ্ব ফুটবল অঙ্গনেরও দৃষ্টি কেড়েছে। স্পেন, ইন্দোনেশিয়া, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের ফুটবলপ্রেমীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। একজন ফুটবলারের জন্য পুরো দেশের এমন ভালোবাসা ও উদযাপন তাদের কাছে বিরল মনে হয়েছে।
ইংল্যান্ডের লেস্টার মার্কারি পত্রিকার ফুটবল সাংবাদিক জশ হল্যান্ড নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে হামজার বাংলাদেশের আগমনের উন্মাদনা নিয়ে লিখেছেন। লেস্টার সিটির হয়ে খেলা এই মিডফিল্ডার বর্তমানে ধারে খেলছেন শেফিল্ড ইউনাইটেডে, যেখান থেকেও ক্লাবের অফিসিয়াল ফ্যান পেজ হামজাকে নিয়ে আলাপ তুলেছে।
শুধু ইংল্যান্ডই নয়, ভারতের ফুটবল মহলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন হামজা চৌধুরী। ইএসপিএন ইন্ডিয়া থেকে শুরু করে রেভস্পোর্টজের মতো ক্রীড়া ওয়েবসাইটগুলোও তার নিয়ে খবর প্রকাশ করেছে। ভারতের ফুটবল বিশ্লেষকদের মাঝেও চলছে তার পারফরম্যান্স নিয়ে বিশ্লেষণ।
ইন্দোনেশিয়া, স্পেন ও আর্জেন্টিনার বিভিন্ন ফুটবল সাংবাদিকও হামজাকে নিয়ে বাংলাদেশের উচ্ছ্বাসের খবর শেয়ার করেছেন। বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এই প্রশ্নও উঠে এসেছে—হামজা কি বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছেন?
২৫ মার্চ ভারতের বিপক্ষে ম্যাচেই হামজার বাংলাদেশ জাতীয় দলে অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন দলের জার্সিতে তার পারফরম্যান্স কেমন হবে, তা নিয়ে কৌতূহল চরমে। তবে এত প্রত্যাশার চাপ অনুভব করছেন না হামজা। বরং বললেন, ‘এটা মোটেও চাপ নয়, বরং ভালো খেলার অনুপ্রেরণা।’
সুত্রা২৪


