20 C
Dhaka
Thursday, January 15, 2026

বিমানবন্দরে আগুনে বিপুল ক্ষতি: ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে — বিজিএমইএ

advertisment
- Advertisement -spot_img

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর নেতারা।

রোববার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইনামুল হক খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় তিনি বলেন, “এই দুর্ঘটনায় দেশের রপ্তানি বাণিজ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাকশিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

প্রতিনিধিদলে বিজিএমইএর সহসভাপতি মিজানুর রহমান, পরিচালক ফয়সাল সামাদসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

লিখিত বক্তব্যে ইনামুল হক বলেন, “সাধারণত উচ্চমূল্যের পণ্য ও জরুরি শিপমেন্ট আকাশপথে পাঠানো হয়। অগ্নিকাণ্ডে তৈরি পোশাক, মূল্যবান কাঁচামাল ও নতুন ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্যাম্পল পণ্য পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এটি শুধু বর্তমান রপ্তানির ক্ষতি নয়, ভবিষ্যতের ব্যবসায়িক সুযোগও ব্যাহত করবে।”

তিনি আরও জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে বিজিএমইএ কাজ শুরু করেছে। সদস্যদের কাছ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের তালিকা চাওয়া হয়েছে এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে।

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি কারখানার পণ্য আকাশপথে রপ্তানি হয়। ইনামুল হক বলেন, “ক্ষতির পরিমাণ বিপুল হতে পারে। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে আমরা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় সভা করব।”

বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, “আমরা ভেতরে গিয়ে ভয়াবহ চিত্র দেখেছি। পুরো ইমপোর্ট সেকশন পুড়ে গেছে। আমাদের অনুমান, ক্ষতির পরিমাণ ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) টাকার বেশি হতে পারে।”

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাণিজ্য উপদেষ্টা নতুন পণ্যের আমদানি কার্যক্রমে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। আপাতত টার্মিনাল-৩–এ নতুন স্থানে আমদানি পণ্য রাখার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ ঘণ্টার পরিবর্তে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত পণ্য খালাসের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ফয়সাল সামাদ আরও বলেন, “কাস্টমসের সঙ্গে যৌথভাবে একটি ওয়ার্কিং কমিটি করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত মালামাল খালাস করা যায়। এমনকি শুক্র-শনিবারও কাজ চলবে। ব্যবসার স্বার্থে এখন আর সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে না।”

সর্বশেষ সংবাদ
- Advertisement -spot_img
আরও নিউজ