চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ বিষয়ে রায় দিয়েছেন।
তবে রায়ে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসনের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
একই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিককে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার অনুমতিও দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তার আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মোহাম্মদ হোসেন লিপু বলেন, ২৩টি ব্যাংকে আসলাম চৌধুরীর প্রায় ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে—এমন অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অনুমতি দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের ওই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আনোয়ার সিদ্দিক হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন। হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেন। পরে হাইকোর্টের রায় চ্যালেঞ্জ করে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়।
আজ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আনোয়ার সিদ্দিকীর করা লিভ টু আপিলের শুনানির পর প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার কাজী আখতার হোসেন। অপরদিকে আনোয়ার সিদ্দিকীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
এর আগে, গত ১ ফেব্রুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে ব্যাংকের করা আপিল আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়।


